MCQ | স্বর্ণপণী (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali

1.প্রোফেসর শঙ্কুর বাবা কোন অসুখে মারা যান ?

(A) হার্টব্লক

(B) ক্যানসার

(C) স্ট্রোক

(D) অজানা জ্বর

Ans: (A) হার্ট ব্লক।

2.স্বর্ণপর্ণী গাছড়ার সন্ধান দিয়েছিলেন—

(A) বিরিঞ্চিবাবা

(B) টিকড়িবাবা

(C) ভক্তবাবা

(D) সনাতনবাবা

Ans: (B) টিকড়িবাবা।

3.নিউটনের বয়স হল —

(A) ২৪ বছর

(B) ২৫ বছর

(C) ২৬ বছর

(D) ২৭ বছর

Ans: (A) ২৪ বছর।

4.লুপ্তস্মৃতি ফিরিয়ে আনার জন্য শঙ্কুর আবিষ্কার হল—

(A) রিমেমব্রেন

(B) অরনিথন

(C) লুমিনিম্যাক্স

(D) মিরাকিউরল

Ans: (A) রিমেমব্রেন।

5.প্রোফেসর শঙ্কুর বাবার নাম ছিল —

(A) ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু

(B) ত্রিভুবনেশ্বর শঙ্কু

(C) ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কু

(D) ত্রিলোচনেশ্বর শঙ্কু

Ans: (C) ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কু।

6. প্রফেসর শঙ্কু আবিষ্কৃত রিমেমব্রেন এর কাজ হল-

(A) সস্তায় আলো দেওয়া

(B) ঘুম পাড়ানো

(C) মহাকাশে উঠতে সাহায্য করা

(D) লুপ্ত স্মৃতি ফিরিয়ে আনা

উত্তর:(D) লুপ্ত স্মৃতি ফিরিয়ে আনা

7. শংকুর বাবা ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কু পেশায় ছিলেন-

(A) পশু চিকিৎসক

(B) আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক

(C) অধ্যাপক

(D) বৈজ্ঞানিক

উত্তর:(B) আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক

8. যারা দরিদ্র, যারা নিরক্ষর, তাদের কথা ভুলিস না- উক্তিটির বক্তা হলেন -

(A) ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু

(B) ত্রিগুণেশ্বর শঙ্কু

(C) ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কু

(D) শঙ্কুর দাদু

উত্তর:(C) ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কু

9. টিকড়ীবাবা নিজে স্বর্ণপর্ণী পাতা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে উদ্ধার পেয়েছিলেন-

(A) কঠিন উদরি রোগ থেকে

(B) শ্বাসকষ্টের হাত থেকে

(C) ক্যান্সারের হাত থেকে

(D) পান্ডু রোগের হাত থেকে

উত্তর: (D) পান্ডু রোগের হাত থেকে

10. জার্মান মহিলার কাতর অনুরোধ শুনে শঙ্কুর যে রোগটির জন্য তাকে মিরাকিউরাল দিয়েছিলেন তা হল-

(A) কালাজ্বর

(B) সর্দিকাশি

(C) ক্যান্সার

(D) মৃগী

উত্তর:(B) সর্দিকাশি

11. গোয়িং এর মূল অসুস্থতা ছিল-

(A) শ্বাসকষ্ট

(B) গ্ল্যান্ডের গোলমাল

(C) ক্যান্সার

(D) স্থূলতা

উত্তর:(B) গ্ল্যান্ডের গোলমাল

12. স্বর্ণপর্ণী বা সোনেপত্তির খবর দিয়েছিলেন-

(A) মছলী বাবা

(B) ডক্টর সর্বাধিকারী

(C) টিকড়ীবাবা

(D) মাচান বাবা

উত্তর:(C) টিকড়ীবাবা

13. কোন প্রাচীন শাস্ত্রে স্বর্ণপর্ণীর উল্লেখ পাওয়া যায়-

(A) উপনিষদ

(B) বেদ

(C) মনুসংহিতা

(D) চরকসংহিতা

উত্তর:(D) চরকসংহিতা

14.স্বর্ণপর্ণী গাছ শঙ্কু কোথায় খুঁজে পেয়েছিলেন-

(A) বারানসিতে

(B) কসৌলিতে

(C) হরিদ্বারে

(D) শোন প্রয়োগে

উত্তর:(B) কসৌলিতে

15. স্বর্ণপর্ণী পাতা দিয়ে প্রথম কার অসুস্থতা ছাড়ান প্রফেসর শঙ্কু-

A) হাইনরিখ স্ট্রাইকারের

B) প্রফেসরের বাবার

C) উকিল জয়গোপাল মিত্রের

D) জেরিমি সানডার্স এর

উত্তর:(C) উকিল জয়গোপাল মিত্রের



অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর :


1.শঙ্কুর পত্রবন্ধু জেরেমি সানডার্স-এর কি হয়েছিল?l

Ans: শংকর পত্রবন্ধু জেরেমি সানডার্স-এর যকৃতে ক্যান্সার হয়েছিল।

2.শঙ্কু ইংল্যান্ডে গিয়ে কি কি দেখেছিলেন?

Ans: শঙ্কু ইংল্যান্ডে গিয়ে ক্যামব্রিজ ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কিটস–এর বাড়ি, ব্রিটিশ মিউজিয়াম, ন্যাশনাল গ্যালারি, তুসোর মিউজিয়াম প্রভৃতি দেখেছিলেন।

3.গেস্টাপো কি?

Ans: জার্মানিতে হিটলারের শাসনকালে ইহুদিদের অত্যাচার ও নিধনের উদ্দেশ্য নিয়ে গুপ্ত পুলিশ বাহিনী গঠিত হয়েছিল, যাকে বলা হয় গেস্টাপো।

4.হিটলার কি চেয়েছিলেন?

Ans: হিটলার ইহুদী জাতিকে নির্মূল করে সমগ্র ইউরোপে এক বিশাল জার্মান সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

5.প্রোফেসর শঙ্কুর জন্মদিন কবে?

Ans: প্রোফেসর শঙ্কুর জন্মদিন হল ১৬ জুন।

6.নিউটনের দীর্ঘায়ু হওয়ার কারণ কি?

Ans: নিউটনের দীর্ঘায়ু হওয়ার কারণ হল প্রোফেসর শঙ্কুর তৈরি ওষুধ মার্জারিন।

7.লিঙ্গুয়াগ্রাফ–এর কাজ কি?

Ans: যে কোন অচেনা ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের কাজ করে লিঙ্গুয়াগ্রাফ।

8.প্রোফেসর শঙ্কুর প্রথম আবিষ্কার কী?

Ans: প্রোফেসর শঙ্কুর প্রথম আবিষ্কার হল সর্বরোগনাশক বড়ি মিরাকিউরল।

9.প্রোফেসর শঙ্কুর বাবা কে ছিলেন?

Ans: প্রোফেসর শঙ্কুর বাবা ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কু, গিরিডির অপ্রতিদ্বন্দ্বী চিকিৎসক ছিলেন তিনি। তিনি আয়ুর্বেদিক মতে চিকিৎসা করতেন।

10.লুমিনিম্যাক্স কী?

Ans: ‘লুমিনিম্যাক্স’ হল প্রোফেসর শঙ্কুর একটি আবিষ্কার, এটি অতি সস্তায় উজ্জ্বল আলো দেয়।

11.টিক্‌ড়ীবাবা কে?

Ans:  টিক্‌ড়ীবাবা একজন বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন সাধু। তিনি উশ্রী নদীর ওপারে একটা গ্রামে গাছতলায় বসে ধ্যান করতেন।

12.স্বর্ণপর্ণীর উল্লেখ কোন বইতে আছে?

Ans: চরক সংহিতার পাতায় স্বর্ণপর্ণীর উল্লেখ রয়েছে।


বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী | স্বর্ণপণী :

1.প্রফেসর শঙ্কুর ‘মিরাকিউরল’ ওষুধ আবিষ্কারের কাহিনি ‘স্বর্ণপর্ণী’ গল্প অবলম্বনে লেখো। 

Ans: বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা সাহিত্যিক তথা চলচ্চিত্রকার “সত্যজিৎ রায়” রচিত “প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রি”-র অন্তর্গত “স্বর্ণপর্ণী” গল্পে আমরা প্রফেসর শঙ্কুর সর্বরোগনাশক বড়ি ‘মিরাকিউরল’ আবিষ্কারের কাহিনি সম্পর্কে অবগত হই।

টিকড়ীবাবার কাহিনি : প্রফেসর শঙ্কু তাঁর পিতা ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কুর কাছে টিক্‌ড়ীবাবার সম্পর্কে জানতে পারেন। কাশীতে থাকাকালীন যখন টিকড়ীবাবা পান্ডুরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তখন তাঁর গুরুদেব তাকে দুটো সোনেপত্তির পাতা গুঁড়ো করে দুধের সাথে রাতে শোবার আগে খাবার পরামর্শ প্রদান করলে, তিনি উপশম লাভ করেন।

স্বর্ণপর্ণীর সন্ধান : তাঁর পিতার মৃত্যুর পর প্রফেসর শঙ্কু অত্যাশ্চর্য সোনেপত্তী বা স্বর্ণপর্ণীর পাতা সংগ্রহের জন্য কসৌলির থেকে তিন ক্রোশ উত্তরে এক চামুন্দার মন্দিরের ভগ্নাবশেষের পিছনে জঙ্গলের পাশে এক ঝরণার ধারে স্বর্ণপর্ণীর গাছের সন্ধান পান। এই কাজে তাকে সহায়তা করে ঘোড়ার মালিক ছোটেলাল।

মিরাকিউরলের আবিষ্কার : স্বর্ণপর্ণী গাছ নিয়ে তিন্দিন পরে প্রফেসর শঙ্কু বাড়িতে প্রত্যাবর্তন করে সেই গাছের রক্ষণাবেক্ষণের দ্বায়িত্বভার অর্পণ করেন তাঁর বাড়ির মালি হরকিষণকে। গিরিডিবাসী উকিল জয়গোপাল মিত্রের উপর তিনি প্রথম এই স্বর্ণপর্ণীর পাতা ওষুধ রূপে প্রয়োগ করে সফলতা পান। মালি হরকিষণের পরিচর্যায় তাদের বাগানের দক্ষিণদিকে আরো এগারোটি স্বর্ণপর্ণীর গাছ জন্মলাভ করলে প্রফেসর শঙ্কু সেই গাছের পাতা থেকে তৈরি করেন সর্বরোগনাশক বড়ি ‘মিরাকিউরল’ অর্থাৎ ‘মিরাক্‌ল কিওর ফর অল কমপ্লেন্টস’।

2.প্রোফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

Ans: আবিষ্কারের তালিকা –

প্রাক্কথন -সত্যজিৎ রায় সৃষ্ট চরিত্র প্রোফেসর শঙ্কু একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী ও আবিষ্কারক হিসেবে দেশেবিদেশে প্রচুর খ্যাতি ও সম্মান পেয়েছিলেন। আলোচ্য ‘স্বর্ণপর্ণী’ গল্পে তাঁর আবিষ্কারের একটি তালিকাও দেওয়া হয়েছে। 

মিরাকিউরল – শঙ্কুর প্রথম আবিষ্কার হল ‘মিরাকিউরল’ বা সর্বরোগনাশক বড়ি। অবশ্য তিনি এটাকে তাঁর একার কৃতিত্ব বলতে চান না। কারণ এর পিছনে টিক্‌ড়ীবাবা নামে এক সাধুর বিশেষ অবদান ছিল।

অ্যানাইহিলিন পিস্তল – ‘মিরাকিউরল’-এর পরে শঙ্কুর আবিষ্কার হল ‘অ্যানাইহিলিন পিস্তল’। এই পিস্তলের বিশেষত্ব হচ্ছে এটি শত্রুকে না মেরে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। প্রোফেসর শঙ্কু মোটেই রক্তপাত সহ্য করতে পারেন না। কিন্তু তাঁর অ্যাডভেঞ্চারপূর্ণ জীবনে তাঁকে অনেক সময় মহাবিপদে পড়তে হয় আর আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্রেরও প্রয়োজন হয়। তাই এই পিস্তল আবিষ্কার করেন তিনি।

এয়ারকন্ডিশনিং পিল – এরপরেই এল ‘এয়ারকন্ডিশনিং পিল’। এটি জিভের তলায় রাখলে শীতকালে শরীর গরম আর গরমকালে শরীর ঠান্ডা থাকে।

রিমেমব্রেন – তারপর তিনি আবিষ্কার করেন ‘রিমেমব্রেন’, এর সাহায্যে হারানো স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনা যায় । এরপর শঙ্কু একে-একে ঘুমের অব্যর্থ বড়ি ‘সমনোলিন’, সস্তায় উজ্জ্বল আলো দেওয়ার জন্য ‘লুমিনিম্যাক্স’, অচেনা ভাষা ইংরেজিতে অনুবাদের জন্য ‘লিঙ্গুয়াগ্রাফ’, পাখিকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য ‘অরনিথন’ প্রভৃতি আবিষ্কার করেন।

3.বাবার এই কথাগুলো আমার মনে গভীরভাবে রেখাপাত করেছিল।—বক্তার বাবা কে? এখানে কোন্ কথাগুলো-র কথা বলা হয়েছে?

Ans:  বক্তার বাবার পরিচয় – সত্যজিৎ রায় রচিত ‘স্বর্ণপর্ণী’ গল্প থেকে আলোচ্য উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে। এই উদ্ধৃতিটিতে উল্লিখিত ‘বাবা’ হলেন প্রোফেসর শঙ্কুর বাবা ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কু। তিনি গিরিডির অপ্রতিদ্বন্দ্বী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ছিলেন।

কথাগুলো-র উল্লেখ –

বিনা পয়সায় চিকিৎসা – প্রোফেসর শঙ্কুর বাবা সারাজীবন বিনা পয়সায় বহু দরিদ্রের চিকিৎসা করেছিলেন। আর সে কারণেই তিনি প্রচুর রোজগার করলেও তা কখনও মাত্রাছাড়া হয়নি।

মানসিক শান্তি – শঙ্কুর বাবা তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন। সেগুলি হল ক্ষমতা থাকলেই অঢেল রোজগার করার দরকার নেই। সচ্ছল জীবনযাপন করতে গেলে অর্থের অবশ্যই প্রয়োজন আর তাতে মানসিক শান্তিও পাওয়া যায়।

দুস্থদের সাহায্য – কিন্তু যাদের সেই সংস্থানটুকু নেই, যারা সুখ কাকে বলে জানে না, যাদের সারাজীবন দু-বেলা দু-মুঠো ভাতের জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয় কিংবা যারা কোনো কারণে রোজগারে অক্ষম—তাদের দুঃখ যদি কিছুটা কমানো যায় তবে তার চেয়ে বড়ো সার্থকতা, বড়ো আনন্দ আর কিছুতেই নেই।

শেষ কথা: বাবার এই কথাগুলো প্রোফেসর শঙ্কুর মনে গভীরভাবে দাগ কেটেছিল এবং এই কথাগুলি তিনি শেষ বয়স পর্যন্ত মনে রেখেছিলেন।

আরো কিছু অতিরিক্ত প্রশ্ন উত্তর পেতে প্রতিদিন সাইটটি রিফ্রেশ করুন 


A) স্বর্ণপর্ণী গল্পটি লিখেছেন - সত্যজিত রায়

B)  স্বর্ণপর্ণী গল্পটি যে পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছিল - সন্দেশ 


  

Post a Comment

Previous Post Next Post