![]() |
| FILE PICTURE |
ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের কয়েকটি ধারা
১) শূন্যস্থান পূরণ করো
ক) বঙ্গ নামের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ................ (ঐতরের আরণ্যনক/আইন - ই - আকবরি/ অর্থশাস্ত্র) গ্রন্থে।
খ) প্রাচীন বাংলার সীমানা তৈরি হয়েছিল ................ , ................ এবং ................ (ভাগীরথী,পদ্মা, মেঘনা/গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র,সিন্ধু/কৃষ্ণা, কাবেরী, গোদাবরী) নদী দিয়ে।
গ) সকলোত্তরপথনাথ উপাধি ছিল .......................(শশাঙ্কের/হর্ষবর্ধনের/ধর্মপালের)।
ঘ) কৈবর্ত বিদ্রোহের একজন নেতা ছিলেন ................(ভীম/রামপাল/প্রথম মহীপাল)
ঙ) সেন রাজা ...........................(বিজয় সেনের/ বল্লাল সেনের/লক্ষ্মণ সেনের) আমলে বাংলায় তুর্কি আক্রমন ঘটে।
চ) সুলতানী যুগের একজন ঐতিহাসিক ছিলেন (মহম্মদ ঘুরি/মিনহাজ - ই সিরাজ/ইখতিয়ার উদ্দিন মহম্মদ বখতিয়ার খলজি। )
উত্তর:-
ক) অর্থশাস্ত্র
খ) ভাগীরথী পদ্মা মেঘনা
গ) হর্ষবর্ধনের
ঘ) ভীম
ঙ) লক্ষ্মণ সেনের
চ) মিনহাজ - ই সিরাজ
২) ক স্তম্ভের সাথে খ স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো:
উত্তর:-
৩) সংক্ষেপে (৩০- ৩৫ টি শব্দের মধ্যে) উত্তর লেখো:
ক) এখনকার পশ্চিমবঙ্গের একটি মানচিত্র দেখো। তাতে আদি মধ্য যুগের বাংলার কোন কোন নদী দেখতে পাবে ?
=
![]() |
| Source :- Google, /file pic |
প্রাচীনকালের নদী বলতে আমরা প্রথমেই দেখতে পাবো পদ্মা ও ভাগীরথী নদী।
খ) শশাঙ্কের আমলে বাংলার অর্থনীতি কেমন ছিল তা ভেবে লেখো ?
= শশাঙ্কের আমলে বাংলার অর্থনীতির ক্ষেত্রে অর্থাৎ ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই সময় মন্দা দেখা দিয়েছিল। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে মুদ্রা হিসাবে , সোনার মুদ্রার প্রচলন ছিল, রুপোর মুদ্রাও প্রচলন ছিল ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার মান পড়ে যায়। ফলে, সম্পূর্ন অর্থনীতি হয়ে পড়ে কৃষি নির্ভর। বাণিজ্যের গুরুত্ব কমার সঙ্গে সঙ্গে নগরের গুরুত্বও কমতে শুরু করে। আবার কৃষির গুরুত্ব বাড়ার ফলে , সমস্ত সমাজ হয়ে পড়ে গ্রামকেন্দ্রিক। সমাজের স্থানীয় প্রধানদের ক্ষমতা বেড়ে যায় কারণ বণিকদের ক্ষমতা আগের থেকে কমে যায়।
গ) মাৎস্যন্যায় কী ?
= মাৎস্যন্যায় বলতে, দেশের অভ্যন্তরীণ গোলযোগ ও স্থায়ী রাজার অভাবকে বোঝানো হয়। মাৎস্যন্যায় শব্দের অর্থ হলো পুকুরের বড়ো মাছেরা ছোট মাছেদের তাদের দূর্বলতার সুযোগে গ্রাস করে। ফলে ছোট মাছেদের অস্তিত্ব বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে। তেমনি রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বিভিন্ন বাহ্যিক শক্তি অভ্যন্তরীণ গোলযোগের সুযোগে বারবার আক্রমণ করে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ গোলযোগের ক্ষেত্রেও, ব্রাক্ষণ, ক্ষত্রিয় ও নানান সম্ভ্রান্ত লোক অর্থাৎ এক কথায় বিভিন্ন উপজাতির লোকেরা নিজেদের ক্ষমতার সুযোগে নিজেদের ক্ষমতার অস্তিত্ব বিপন্ন করে তোলে। একেই ইতিহাসে মাৎস্যন্যায় বলে মনে করা হয়।
ঘ) খ্রিস্টীয় সপ্তম ও অষ্টম শতকের আঞ্চলিক রাজ্যগুলো কেমন ভাবে গড়ে উঠেছিল ?
= সপ্তম ও অষ্টম শতকে রাজ্যের আঞ্চলিক শক্তি গুলির প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়। ধীরে ধীরে এই আঞ্চলিক শক্তিগুলি তাদের নির্দিষ্ট অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য ও ক্ষমতা বিস্তার করতে শুরু করে। ফলে নতুন রাজারা এই স্থানীয় প্রভাবশালী প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রভাব মেনে নেয় এবং এই আঞ্চলিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রাজাদের থেকে উপঢৌকনও পেত। এই রাজাদের যুদ্ধের সময় এই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিজের যুদ্ধের দল নিয়ে যুদ্ধেও উপস্থিত হত। এবং এরা সকলে আঞ্চলিক বা রাজ্যের দূর্বলতার সুযোগে কখনো বা রাজ্যও নিজের অধিকারভুক্ত করতো।
ঙ) সেন রাজাদের আদিনিবাস কোথায় ছিল ? কিভাবে তারা বাংলার শাসন কায়েম করেছিলেন ?
= সেন রাজাদের আদিনিবাস ছিল দক্ষিণ ভারতের মহীশূর ও তার আশে পাশের বিস্তৃত এলাকা।
তারা বাংলায় পালের রাজত্বের শেষের দিকে শাসন শুরু করে। পালদের দূর্বলতার সুযোগে বালিরাজা সামন্তসেন, হেমন্ত সেন, বল্লাল সেন ও লক্ষ্মণ সেন বাংলায় শাসন চালু করে এবং দীর্ঘ দিন রাজত্ব করে।
চ) সুলতান মাহমুদ ভারত থেকে লুঠ করা ধনসম্পদ কীভাবে ব্যবহার করেছিলেন ?
= সুলতান মাহমুদ ভারত থেকে প্রচুর সম্পদ লুঠ করে নিজের রাজ্যে ভালো কাজে তা ব্যায় করছেন। তার রাজধানী গজনী এবং অন্যান্য শহরকে সুন্দর করে সাজানো হয়েছিল। মাহমুদ প্রাসাদ , মসজিদ,গ্রন্থাগার, বাগিচা, জলাধার খাল এবং আমু দরিয়ার অর্থাৎ নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করেছিলেন। তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী করেছিলেন যেখানে শিক্ষকদের বেতন ও ছাত্রদের বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
৪) বিশদে (১০০-১২০টি শব্দের মধ্যে) উত্তর লেখো লেখো :
ক) প্রাচীন বাংলার রাড় সুষ্ম ও গৌড় অঞ্চলের ভৌগলিক পরিচয় দাও ?
=
পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন।



.jpeg)
Nice
ReplyDeletePost a Comment